দুস্থ মানুষ এবং শিশুদের সাহায্যের জন্য বিশ্বকাপ থেকে পাওয়া পারিশ্রমিকের পুরোটাই চ্যারিটিতে দান করেছেন কিলিয়ান এমবাপে।

বিশ্বকাপের চলাকালিন সময়ে এমবাপে ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে খেলার জন্য কোনো পারিশ্রমিক নেবেন না। উল্টো বলেছিলেন,‘দেশের হয়ে খেলতে পারিশ্রমিক নেওয়া উচিত নয়।’ বিশ্বকাপ শেষে কথা রেখেছেন এমবাপে।

ফ্রান্সের এ তারকা বিশ্বকাপ থেকে ৩ লাখ ৮৪ হাজার পাউন্ড পারিশ্রমিক পেয়েছেন। চ্যারিটিতে পুরো পারিশ্রমিক দান করেছেন। দ্য সান এমনই এক খবর প্রকাশ করেছে সোমবার।

বিশ্বকাপের ফাইনালে ৪-২ গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে ফ্রান্স। ফাইনালে গোল করেছেন এমবাপেও। বিশ্বকাপের উদীয়মান খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়া এমবাপে টুর্নামেন্টে মোট চার গোল করেছেন। নক আউট পর্বে রয়েছে তার তিন গোল। ফ্রান্সকে শিরোপা জেতাতে বড় ভূমিকা ১৯ বছর বয়সি এ ফুটবলারের। ফাইনালে গোল করে এমবাপে নিজের নাম লিখিয়েছেন পেলের পাশে।

১৭ বছরের তরুণ পেলে প্রথম টিনএজার হিসেবে গোল করেছিলেন ১৯৫৮ বিশ্বকাপের ফাইনালে। এরপর ৬০ বছরের অপেক্ষা। আর কোনো টিনএজার গোল পাননি ফাইনালে। দীর্ঘ সময় পর কিলিয়ান এমবাপে ভাঙেন সেই দেয়াল। প্রবেশ করেন পেলের ক্লাবে।

বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচে ১৭ হাজার পাউন্ড করে পারিশ্রমিক পেয়েছেন এমবাপে। শিরোপা জয়ে পেয়েছেন ২ লাখ ৬৫ হাজার পাউন্ড। ফ্রান্সের জাতীয় পত্রিকা এল’ একুইপ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এমবাপের পারিশ্রমিক যাচ্ছে প্রিমিয়ার ডি করডে চ্যারিটি ফাউন্ডেশনে। ফাউন্ডেশনটির ম্যানেজার সাবস্ট্রেইন রুফিন বলেছেন,‘কিলিয়ান অসাধারণ একজন মানুষ। তার যখন সময় হয় তখন আমাদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। বাচ্চাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক দারুণ। ওদের উদ্দীপ্ত করতে সব সময় পাশে থাকেন।’

বিশ্বকাপে এমবাপে নিজের পারফরম্যান্সে সবাইকে মুগ্ধ করেছে। এবার বিশ্ব দেখল তার মহানুভবতা। বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের পাশাপাশি কোটি মানুষের হৃদয়ও জিতে নিলেন এমবাপে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *